কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫ এ ০৩:০৫ AM

ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি পরিচিতি

কন্টেন্ট: পাতা

বিদ্যুৎ নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। পাওয়ার প্ল্যান্ট, রিনিউএবল এনার্জি, হোম অটোমেশন—সবক্ষেত্রে তারা দক্ষতা নিয়ে কাজ করছে। এই খাতের উন্নয়নে তাদের নিয়োজিত রাখা মানে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখা। অনেক শিক্ষার্থী ঘরোয়া বিদ্যুৎ সার্ভিস ব্যবসা শুরু করে আত্মকর্মসংস্থানে যুক্ত হচ্ছে।

ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বন্টন ও কন্ট্রোল সম্পর্কিত বিষয় শেখানো হয়। বিদ্যুৎব্যবস্থা ছাড়া আধুনিক জীবন কল্পনা করা যায় না। বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ, সিস্টেম কনফিগারেশন, নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ বিদ্যুৎ প্রকৌশলী গড়ে তোলে এই টেকনোলজি।

আসন সংখ্যা ও ভর্তি তথ্য:

  • প্রতি বছর ২ শিফটে (সকাল ও বিকাল) মোট ১০০ জন শিক্ষার্থী (প্রতি শিফটে ৫০ জন) ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।
  • ভর্তির যোগ্যতা অনুযায়ী মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি নিশ্চিত করা হয়।

সুবিধা ও গুরুত্ব:

  • পাওয়ার সেক্টরে সরাসরি কাজ করার সুযোগ
  • বৈদ্যুতিক নকশা, হাউজওয়্যারিং, মেশিন কন্ট্রোল শেখা
  • সরকারি/বেসরকারি বিদ্যুৎ অফিসে কাজের সুযোগ

চাকরির সুযোগ:

  • পল্লী বিদ্যুৎ, ডেসকো, পিজিসিবি
  • ফ্যাক্টরি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্লান্ট
  • বিদ্যুৎ প্রকল্প, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান
  • নিজস্ব ইলেকট্রিকাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠা

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন